কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৯০০ জনেরও বেশি সেলস লিডার ও ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার অংশগ্রহণ করেন। গত বছরের অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি গার্ডিয়ানের সেলস ফোর্সের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি আরও দৃঢ় করার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজন হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। কনফারেন্সে বিগত বছরের অসামান্য অবদান ও সাফল্যের জন্য ১৮ জন সেরা কর্মীকে পুরষ্কার ও স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
গার্ডিয়ানের কো-ফাউন্ডার ও স্পন্সর তপন চৌধুরী ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, “গার্ডিয়ান আজকে যে অবস্থানে পৌঁছেছে সেটি সম্ভব হয়েছে আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, নিষ্ঠা, সাহস এবং স্পেশাল স্যাক্রিফাইস বা আত্মত্যাগের জন্য। আমাদের এই অর্জনে আসল মাঠের খেলোয়াড় কিন্তু আপনারাই।”
“আজ আমরা প্রায় এক কোটি ৩২ লক্ষেরও বেশি মানুষের কাছে আমাদের বিমার সুরক্ষা পৌঁছে দিতে পেরেছি এবং এ অর্জন কিন্তু আমাদের সবার অর্জন। তাই আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে চাই, আপনারা গার্ডিয়ানের প্রকৃত শক্তি, আপনারা আমাদের সাফল্যের আসল নায়ক, আপনারা অদম্য গার্ডিয়ান,” যোগ করেন তিনি।
কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন গার্ডিয়ানের স্পন্সর ডিরেক্টর সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। তিনি বলেন, “আপনাদের সততা, পেশাদারিত্ব এবং নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমেই গার্ডিয়ান মানুষের এ আস্থা অর্জন করেতে পেরেছে। প্রিয় অদম্য গার্ডিয়ানবৃন্দ, আপনাদের এবং আমাদের সবার লক্ষ্য বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারকে বিমা সুরক্ষার আওতায় নিয়ে আসা। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে প্রয়োজন আমাদের দলীয়ভাবে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সকল বাধা এবং চ্যালেঞ্জ যথাযথভাবে মোকাবেলা করে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাওয়া।”
গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, বলেন, “গার্ডিয়ানে আমাদের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি প্রতিদিন নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাওয়া আমাদের কর্মীরা। তাদের প্রতিশ্রুতি, শৃঙ্খলা ও নিবেদনই আমাদের এ সাফল্য অর্জনে এবং গ্রাহকদেরকে করা প্রতিশ্রুতি পূরণে ভূমিকা পালন করেছে। এই আয়োজন আমাদের সেই মানুষগুলোর অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের সাফল্য উদযাপনের দারুণ এক উপলক্ষ্য।”
অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ানের চিফ রিটেইল বিজনেস অফিসার মাহমুদুর রহমান খান বলেন, “রিটেইল ব্যবসায় আমাদের শক্তির জায়গা হলো গ্রাহকদের সঙ্গে আমাদের সহকর্মীদের গড়ে তোলা পারস্পরিক সম্পর্ক। গ্রাহকদের চাহিদা বুঝতে পারা এবং তাদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে আমরা দেশের আরও বেশি মানুষের কাছে বিমা সুরক্ষা পৌঁছে দিতে পারি।”
দিনব্যাপী আয়োজনে পারফরম্যান্স রিভিউ এবং কৌশলগত ওয়ার্কশপের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, আগামী বছরের জন্য কোম্পানির অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন তারা।