মেডিক্যাল সূত্রে জানা যায়, উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়ায় এক ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হন। একই দিনে দক্ষিণের খান ইউনিসে আরেকটি হামলায় আরও দুইজনের প্রাণহানি ঘটে।
দুই ঘটনাতেই ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। হামাস ও ইসরায়েল উভয়ই গত অক্টোবর স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি শুরু থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭০০ জন নিহত হয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলের তথ্যমতে গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠীর আক্রমণে চারজন সৈন্য নিহত হয়েছেন।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননেও অভিযান চালাচ্ছে, যা ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েলের ওপর হামলায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে বন্দি করা হয়েছিল।
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ইসরায়েলের দুই বছরের অভিযান চলাকালীন ৭২,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার অধিকাংশই নিরীহ নাগরিক। এই সংঘাতে খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে, অধিকাংশ ভবন ধ্বংস হয়েছে এবং অঞ্চলটির বেশিরভাগ জনগণকে একাধিকবার স্থানান্তরিত হতে হয়েছে।