মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ইইউ নির্বাচন মিশন প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেন, ২০০৮ সালের পর এমন বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে আসছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল। ফলাফল প্রাথমিক ও চূড়ান্তভাবে প্রকাশ নিয়ে কোনো অস্বচ্ছতার অভিযোগ ছিল না।
ইভার্স আরও বলেন, প্রার্থীরা স্বচ্ছভাবে প্রচারণা চালাতে পেরেছেন। যেকোনো রাজনৈতিক সংকট নিয়ে সংলাপের যথেষ্ট সুযোগ ছিল। যখনই কোনো অভিযোগ এসেছে বা নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো সংকট তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সমাধান করা হয়েছে।
তবে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য সবাইকে আরও কাজ করতে হবে—এমন পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। তাই বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে আরও বিশ্বাসযোগ্য করতে মোট ৬টি ক্ষেত্রে ১৯টি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।