মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হাউস অব কমন্সের স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোয়েল বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের অনুমতি দিয়েছেন। এরপর এমপিরা ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবেন, অভিযোগটি পার্লামেন্টারি প্রিভিলেজ কমিটিতে তদন্তের জন্য পাঠানো হবে কি না।
স্টারমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সংসদে দাবি করেছিলেন যে লর্ড ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সব নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ওপর কোনো চাপ প্রয়োগ করা হয়নি। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী লেবার পার্টির এমপিদের ভোটে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। জানা গেছে, দলীয় এমপিদের এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিতে হুইপ জারি করা হতে পারে।
অন্যদিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বাডেনক অভিযোগ করেছেন, স্টারমার একাধিকবার সংসদকে বিভ্রান্ত করেছেন এবং এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লর্ড ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সব নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটি ও তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত পৃথক তদন্ত চলমান রয়েছে।
সাবেক ফরেন অফিস কর্মকর্তা স্যার ওলি রবিনস পার্লামেন্টারি কমিটিকে জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাপ ছিল, তবে তা তার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটেনের সাবেক রাষ্ট্রদূত Peter Mandelson পরে জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে পদচ্যুত হন। তার নিয়োগ ঘিরে শুরু থেকেই বিতর্ক চলছিল।
এদিকে বিরোধীদের তদন্তের দাবি জোরালো হলেও Keir Starmer–এর নেতৃত্বাধীন সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে প্রস্তাবটি পাস হওয়া কঠিন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।