৩১ বছর বয়সী কোল অ্যালেন ক্যালিফোর্নিয়ার একজন শিক্ষক। শনিবার ওই উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে জোরপূর্বক ঢোকার চেষ্টা করার সময় গ্রেপ্তার হন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী অ্যাটর্নি জোসেলিন ব্যালান্টাইন সোমবার ওয়াশিংটনের একটি ফেডারেল আদালতে জানান, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছে একটি ১২-গেজ পাম্প-অ্যাকশন শটগান, একটি ৩৮-ক্যালিবার সেমি-অটোমেটিক পিস্তল এবং তিনটি ছুরি ছিল।
ফেডারেল প্রসিকিউটররা অ্যালেনের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্টকে হত্যার চেষ্টা, রাজ্যসীমা পেরিয়ে অস্ত্র পরিবহন এবং সহিংস অপরাধের সময় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করার অভিযোগ এনেছেন।
এই পর্যায়ে সন্দেহভাজনকে কোনো জবানবন্দি দিতে হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক ম্যাথিউ শারব মামলাটি চলাকালীন অ্যালেনকে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে তাকে বিচারপূর্ব মুক্তি দেওয়া হবে কি না তা নির্ধারণ করা হবে।
অ্যালেনের প্রাথমিক শুনানি ১১ মে নির্ধারিত হয়েছে।
প্রেসিডেন্টকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ আনা হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ স্পষ্ট করে বলেন যে সন্দেহভাজনের ট্রাম্পের কাছে পৌঁছানোর কোনো সুযোগই ছিল না।
তিনি আদালত শুনানির পর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এই ব্যক্তি বলরুমের একতলা ওপরে ছিল এবং তার ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মধ্যে শত শত ফেডারেল এজেন্ট অবস্থান করছিল।”
অ্যালেনের কথিত হামলার সময় কোনো সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টকে কে গুলি করেছে—এ বিষয়ে তদন্তে কিছু জানা গেছে কি না জানতে চাইলে ব্ল্যাঞ্চ সরাসরি উত্তর দেননি। তিনি বলেন, প্রমাণ এখনও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “মনে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাঁচটি গুলি ছুড়েছিল। আমাদের বিশ্বাস, অভিযোগপত্রে যেমন বলা হয়েছে, আসামি শটগান থেকে গুলি ছুড়েছিল। তবে সুনির্দিষ্ট ব্যালিস্টিক বিশ্লেষণ নিয়ে আমি এখনই কিছু বলছি না।”
নিউ ইয়র্ক পোস্টে প্রথম প্রকাশিত একটি কথিত ম্যানিফেস্টোতে অ্যালেন দাবি করেন, তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হত্যা করতে চেয়েছিলেন, যেখানে ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ের’ লক্ষ্য ছিল ট্রাম্প, যাকে তিনি “শিশু নির্যাতনকারী, ধর্ষক এবং বিশ্বাসঘাতক” বলে অভিহিত করেন।