বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে নীলফামারী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ এবং জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি আরেফ রব্বানী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত রাসেল, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নূর আলম এবং জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক জামিয়ার রহমান প্রমুখ।
এসময় বক্তব্যে বক্তারা বলেন, গত ৫ জুলাই জলঢাকায় কয়েকজন পরিবহন মালিক অবৈধ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন ও পরিবহন ধর্মঘট ডাকেন। তবে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে বলে তারা দাবি করেন।
তাদের অভিযোগ, ডিমলা-জলঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কের মাগুড়া স্ট্যান্ড এলাকায় ঈদুল আজহার পর থেকে একটি অস্থায়ী স্ট্যান্ড স্থাপন করে বৈধ যানবাহন থেকে ২০০ টাকা এবং বাইরের অনুমতিবিহীন যানবাহন থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, তারাই আবার সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের নিরপেক্ষ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। কিছু পরিবহন মালিক ও একটি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে জেলার পরিবহন খাতকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে, যা স্থানীয় পরিবহন মালিকদের ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ডিমলা থেকে কিশোরগঞ্জের মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।
এসময় সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের অর্থ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য আফজাল হোসেন, আবু গোফরান সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।