লিখিত বক্তব্যে মুক্তা খাতুন অভিযোগ করেন, তার শ্বশুর মজিদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও সম্পত্তিগত বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি তালাকের পর তহমিনা বেগম তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ জুন তহমিনা বেগম ও তার সহযোগীরা মজিদুল ইসলামের ভিটাবাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান। এতে মজিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম আহত হন। পরে তাদের নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত ওবায়দুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
মুক্তা খাতুন দাবি করেন, এ ঘটনায় তহমিনা বেগম ও রবিউল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে নীলফামারী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনো আসামিদের গ্রেপ্তার না করায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল এবং তাদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান বক্তারা।