রোববার (১২ এপ্রিল) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, ১৪ এপ্রিল ভোর ৫টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রমনা পার্ক, রমনা বটমূল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও আশপাশের সড়কগুলোতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ডাইভারশন ও ব্যারিকেড বসানো হবে।
ডাইভারশন পয়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে— বাংলামোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, পুলিশ ভবন, সুগন্ধা, কাকরাইল চার্চ, কদম ফোয়ারা, হাইকোর্ট (পশ্চিম), শহীদুল্লাহ হল, রোমানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টার, জগন্নাথ হল, ভাস্কর্য, নীলক্ষেত ও কাঁটাবন ক্রসিং।
বিকল্প রুট হিসেবে মিরপুর–ফার্মগেট থেকে শাহবাগগামী যানবাহন বাংলামোটর বা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে মগবাজার বা মিন্টো রোড দিয়ে চলাচল করবে। গোলাপশাহ মাজার ও হাইকোর্ট এলাকা থেকে শাহবাগগামী যানবাহন কদম ফোয়ারা–ইউবিএল–নাইটিংগেল রুট ব্যবহার করবে।
এছাড়া সায়েন্সল্যাব থেকে শাহবাগমুখী যানবাহন মিরপুর রোড হয়ে আজিমপুর–চাঁনখারপুল–বকশীবাজার রুটে চলাচল করবে। বিকল্প হিসেবে বাটা সিগন্যাল–কাঁটাবন–নীলক্ষেত–পলাশী রুট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলো হলো— নেভি গেট থেকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পর্যন্ত সড়ক, মৎস্য ভবন থেকে সেগুনবাগিচা এলাকা, কাঁটাবন থেকে পলাশী পর্যন্ত সড়কের পশ্চিম পাশ এবং আ. গণি রোড ও সচিবালয় লিংক রোড।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে অনুষ্ঠানস্থলে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিক্যাল টিম, নৌ-পুলিশের ডুবুরি দল এবং টুরিস্ট পুলিশের সেবা কেন্দ্র মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশন মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থাও রাখবে।
কোনো সন্দেহজনক বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ অথবা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।