বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে গঠিত এই সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
সরকার গঠনের এক সপ্তাহ পর, ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমান জেলা) বৈদ্যনাথতলার (বর্তমান মুজিবনগর) একটি আমবাগানে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে স্বাধীন বাংলার অস্থায়ী সরকার। পরে ওই স্থানটিকে ‘মুজিবনগর’ নামকরণ করে অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
১০ এপ্রিল বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনে গঠিত সরকারের মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রাম সংগঠিত ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য রূপ পায়।
এই সরকারের নেতৃত্ব ও ভূমিকার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধ চূড়ান্ত বিজয়ের পথে এগিয়ে যায়। এর ফলেই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর স্বাধীনতা অর্জন করে।