ইরানের বিচার বিভাগের সংবাদ সংস্থা মিজান জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে গুপ্তচরবৃত্তি ও গোয়েন্দা সহযোগিতার অভিযোগে পেদারানকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। দেশটির সুপ্রিম কোর্টও তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তা কার্যকর করা হয়েছে।
ইরানি বিচার বিভাগের দাবি, সাম্প্রতিক ১২ দিনের সংঘাতের সময় ইসফাহান প্রদেশের সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনার তথ্য পেদারান মোসাদের কাছে সরবরাহ করেছিলেন। এসব কর্মকাণ্ডের বিনিময়ে তিনি আর্থিক সুবিধা নিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, পেদারান সামরিক স্থাপনা এবং সেখানে কর্মরত ব্যক্তিদের বিষয়ে সুরক্ষিত তথ্য সংগ্রহ ও পাঠাতেন। এসব তথ্যের মধ্যে সামরিক সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগের তথ্যও ছিল বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেদারান প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। সাড়া না পেয়ে পরে মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে ইরানি বিচার বিভাগের দাবি। যুদ্ধ শুরুর আগে যোগাযোগ বন্ধ করলেও পরে টেলিগ্রামের মাধ্যমে আবার যোগাযোগের চেষ্টা করার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ইরানি আদালতের দাবি, পেদারানের সরবরাহ করা তথ্য কয়েকটি হামলায় ব্যবহার করা হয়েছিল। এসব হামলায় সামরিক সদস্য নিহত ও আহত হন বলেও দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
তবে পেদারানের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করেনি রয়টার্স।