পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার ভোরে পুলিশের একটি দল তাঁর বোনের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মহিপালের গণহত্যার ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডালিম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তারের পর ফেনী মডেল থানা পুলিশের একটি দল তাঁকে রাজধানী থেকে ফেনীতে নিয়ে আসে। পরে বিকেলে তাঁকে আদালতে নেওয়া হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ডালিমের পৈতৃক বাড়ি কালিদহ ইউনিয়নের গোবিন্দপুরে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর সরকার পতনের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মু. সাইফুল ইসলাম বলেন, ডালিমকে গ্রেপ্তারের পর ফেনীতে আনা হয় এবং বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ফেনী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সজল দাস জানান, ডালিমকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি মহিপাল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা পাঁচটি হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি।