স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরাফ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি কুলবাড়িয়া গ্রামের সচেতন যুবকেরা মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এলাকা জুড়ে ব্যাপক মাদকবিরোধী সামাজিক অভিযান ও নজরদারি শুরু করেন। আজ সকালে গ্রামে ইয়াবা বিক্রির সময় মাদকবিরোধী যুবসমাজ ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে গণধোলাই দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
প্রত্যাক্ষদর্শী সোহেল রানা জানান, মাদকবিরোধী যুবসমাজের ছেলেরা শরাফ উদ্দিনকে ইয়াবা বড়িসহ বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে আসে। অনেকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পুলিশকে ডেকে ইয়াবাসহ তুলে দেওয়া হয়।
মাদকবিরোধী যুবসমাজের আহবায়ক তছিরউদ্দিন জানান, গত মাস থেকে আমাদের এলাকায় মাদকবিরোধী যুবসমাজ নামে কমিটি করা হয়। এর পরে স্থানীয় মাদকসেবীদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এখন মাদককারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। সামাজিকভাবে মাদকবিরোধী অভিযান না চালালে কোন ভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হচ্ছে না। এক কথায় আমাদের এলাকাতে মাদকমুক্ত করতে যা যা করার আমরা করবো।
এ বিষয়ে মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি বহাল রয়েছে। এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে স্থানীয় যুবসমাজের এমন সামাজিক সচেতনতা প্রশংসনীয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।