বেশির ভাগ পাম্প বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। যেসব পাম্প খোলা, সেগুলোতেও দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহন। চালক ও ভোক্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির জেরে দৈনন্দিন কাজ ও পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। সংকট আরও বাড়ার আশঙ্কায় অনেকেই আগেভাগেই ডিজেল, অকটেন ও পেট্রল মজুদ করতে শুরু করেছেন।
জেলার চারটি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র একটি পাম্প জ্বালানি সরবরাহ করছে। দীর্ঘ লাইনের কারণে বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী পাম্পগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাসদস্যরা তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছেন।
দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা জসিম উদ্দিন জানান, ঈদের ছুটিতে মোটরসাইকেল নিয়ে রাঙামাটিতে এসে তেলের জন্য আটকে গেছেন। ভোররাত থেকে পাম্পে অবস্থান করে তিনি ৫শ টাকার তেল নিতে পেরেছেন। স্থানীয় চাকরিজীবী ইনা চাকমা বলেন, “অফিস থেকে আজ ছুটি নিয়ে তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিলাম। এভাবে আর কতদিন পার করতে হবে জানি না।”
লাইন দাঁড়িয়ে থাকা মাঈন উদ্দিন ও রাহুল চাকমা জানান, “দুপুর হয়ে এসেছে, কখন তেল পাবো জানি না। আদৌ পাবো কিনা তারও নিশ্চয়তা নেই।”