অর্থমন্ত্রী বলেন, “জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থ যোগানের বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা আমাদের আলোচনার মধ্যে রয়েছে। স্প্রিং মিটিংয়ে ওয়াশিংটনে বিস্তারিত আলোচনা হবে।”
আইএমএফের ঋণ আদায়ের প্রসঙ্গে তিনি জানান, “হ্যাঁ, আলাপ-আলোচনা চলছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে যেগুলো সম্ভব নয়, সেগুলো ক্রমান্বয়ে করতে হবে। একসঙ্গে সব করা সম্ভব নয়। অর্থনীতি যে অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে, সেখান থেকে উত্তরণ করতে আমাদের ধাপে ধাপে পরিকল্পনা করতে হবে।”
মন্ত্রী জানান, জুলাইয়ে পরবর্তী রিভিউতে ঋণ সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। বর্তমানে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের সরকারের এক মাস হয়েছে। এই সময়ে রমজান মাসও ছিল। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তেলের জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও পরিবহন ব্যবস্থা সচল ছিল। ঈদের সময় সবাই বাড়ি যেতে পেরেছে, ভাড়া বাড়েনি এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল। গার্মেন্টস খাতেও কোনো অস্থিরতা দেখা দেয়নি; শ্রমিকদের বেতন সঠিক সময়ে প্রদান করা হয়েছে।”
তিনি উল্লেখ করেন, “সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল। তেলের বড় সংকট থাকা সত্ত্বেও পরিবহন বন্ধ হয়নি এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন সময়ে দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত আমরা অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে চেষ্টা করে যাচ্ছি।”