এলাকাবাসী জানান, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান আন্দোলনে যোগ দেয়ায় বুলবুলের গ্যারেজে সিফাত বাহিনী লুটপাট করে। এঘটনায় সিফাতকে প্রধান আসামী করে বন্দর থানায় একটি মামলা করে। মামলা তুলে নিতে প্রায় হুমকি দেয় বুলবুলকে। রাতে সালেহনগর এলাকাতে বুলবুলকে একা পেয়ে মামলা তুলে নিতে ফের হুমকি দেয় সিফাত ও সঙ্গে থাকা তার লোকজন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা ঘটে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পরে আশেপাশে লোকজন তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্বজনরা।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জামাল উদ্দীন বলেন,এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।