গত ৪ আগস্ট ভারতের একটি বিমান থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লি আসার পথে মাঝআকাশে প্রচণ্ড ঝাঁকুনির মুখে পড়ে হঠাৎ ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী এবং চারজন ক্রু সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজন ক্রু সদস্য ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিতে বিমান অবতরণের পর স্ক্রিনিংয়ে ওই পাইলটের শরীরে সাইকোঅ্যাক্টিভ উপাদানের উপস্থিতি ধরা পড়ে। কিছুদিন পর আরেকটি পরীক্ষা করা হয় এবং সেই পরীক্ষাতেও পাইলট মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। বিশেষভাবে পরীক্ষায় পাইলট গাঁজা সেবন করেছিলেন বলে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
ওই সূত্র বলেছে, এয়ারবাস এ৩২০নিও বিমানটি ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। পাইলটের কোনো পদক্ষেপ, প্রযুক্তিগত কিংবা হাইড্রোলিক ত্রুটি যে কারণেই বিমানটি নেচে নেমে যাক না কেন, সেই সময় পাইলট তার আসনে ছিলেন না এবং সহকারী-পাইলট বিমানে দায়িত্বরত ছিলেন।
হঠাৎ বিমান নিচে নামায় সেটি ‘নেগেটিভ-জি’ পরিস্থিতিতে চলে যায়। এতে ককপিটের জিনিসপত্রের পাশাপাশি পাইলট নিজেও শূন্যে ভেসে ওঠেন। আর একই কারণে বিমানের পেছনের যে যাত্রীরা সিটবেল্ট বাঁধেননি, তারা গুরুতর আহত হন।
তদন্ত চলমান থাকায় উভয় পাইলটকেই আপাতত ফ্লাইট পরিচালনা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দেশটির বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় বলেছে, এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে।