মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
হিজবুল্লাহ বলছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় যাওয়ার সরকারের সিদ্ধান্ত কার্যকর নয় এবং এতে লেবাননের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে। সংগঠনটির দাবি, সরকারের হাতে পর্যাপ্ত কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা নেই। তারা পরিস্থিতিকে “বিশ্বাসঘাতকতার পর্যায়ে পৌঁছেছে” বলেও মন্তব্য করেছে।
অন্যদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট পাল্টা বক্তব্যে হিজবুল্লাহকে দায়ী করে বলেছেন, সংগঠনটি দেশের স্বার্থ নয় বরং একটি বিদেশি শক্তির স্বার্থে লেবাননকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য আলী আম্মার এক সাক্ষাৎকারে সরকারের ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, “দক্ষিণ লেবাননের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া হবে।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য লেবাননের ভেতরে রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর করছে এবং ইসরায়েল-লেবানন সীমান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে।