ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে নদীতীরে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ৩ হাজার ৩০৮টি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। ভাঙন নিয়ন্ত্রণে পর্যায়ক্রমে আরও জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে।
স্থানীয়রা জানান, জিও ব্যাগ ফেলার পর ভাঙনের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তবে এটি স্থায়ী সমাধান নয়। দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা না হলে আবারও ভাঙন দেখা দিতে পারে। এতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরসহ আশপাশের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা গোলাপ মিয়া বলেন, ‘জিও ব্যাগ ফেলায় আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। কিন্তু স্থায়ী ব্যবস্থা না হলে আবারও নদীভাঙনের শঙ্কা রয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা বেগম বলেন, কয়েক দিন ধরে নদীভাঙনের আতঙ্কে ছিলেন তাঁরা। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও স্থায়ী সমাধান না হলে সামনে আবারও বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।
বুলাকীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান লাভলু বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কারণে ভাঙন আপাতত কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে নদীতীর রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা দরকার।
দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ বলেন, কুলানন্দনপুরে জিও ব্যাগ ফেলার কাজটি জরুরি ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙন ঠেকাতেই এ ব্যবস্থা। এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩০৮টি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। বর্ষা শেষে ওই এলাকায় সিসি ব্লক বা রিভেটমেন্টের মাধ্যমে স্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।