শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে কলম্বিয়া। বলের দখল ও সুযোগ সৃষ্টিতে এগিয়ে থাকলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি তারা। বরং ম্যাচের অষ্টম মিনিটে দানিয়েল মুনিয়োজ জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। অন্যদিকে কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।
প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও দীর্ঘ সময় গোলের অপেক্ষায় ছিল দর্শকরা। তবে ৭৬ মিনিটে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় কলম্বিয়া। ডান প্রান্ত থেকে গড়ে ওঠা দারুণ এক আক্রমণে বক্সের ভেতর নিখুঁত ক্রস পান মুনিয়োজ। কঙ্গোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে কাছ থেকে প্রথম ছোঁয়াতেই বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
গোলের পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও পেয়েছিল কলম্বিয়া। ৮০ মিনিটে লুইস দিয়াজ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেটিও বাতিল হয়। ফলে শেষ পর্যন্ত মুনিয়োজের একমাত্র গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
এই জয়ে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘কে’-এর শীর্ষে উঠে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়া। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ড্র করা কঙ্গোর সংগ্রহ ১ পয়েন্ট। তারা অবস্থান করছে তৃতীয় স্থানে। চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পর্তুগাল, আর এখনো পয়েন্টের দেখা না পাওয়া উজবেকিস্তান আছে গ্রুপের তলানিতে।
টানা দুই জয়ে আত্মবিশ্বাসে উজ্জীবিত কলম্বিয়া এখন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করল। অন্যদিকে নকআউটে যেতে হলে শেষ ম্যাচে কঙ্গোর সামনে জয়ের বিকল্প নেই।