এ উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান।
সভায় প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করছে এবং গণভোটের ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে কাজ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কোনো গণআন্দোলন একদিনে গড়ে ওঠে নি। দীর্ঘদিনের হামলা-মামলা, নির্যাতন, দমন-পীড়ন ও গণবিরোধী কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে মানুষ রাজপথে নেমে আসে। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতার ফলেই আজ আমরা কেউ সরকারে, কেউ বিরোধী দলে থেকে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য হয়েছি এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত থাকবে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এবং সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার অন্যতম ভিত্তি। সংসদ সদস্য জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহিদ, আহত এবং সকল প্রকৃত যোদ্ধাকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যথাযথ সম্মান ও প্রাপ্য ভাতা প্রদান করা হবে।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রেঞ্জ ডিআইজি মো: মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, ওয়াসার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শহিদ শেখ মোঃ সাকিব রায়হানের পিতা শেখ আজিজুর রহমান ও মহানগর জামায়তে ইলামীর আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত পরিবারের সদস্যগণ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে নগরীর মসজিদসমূহে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।