বিশ্বকাপ ইতিহাসে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা ‘ফুটবল লিজেন্ডস টকস’ পডকাস্টে ফুটবল থেকে তার অবসরের বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। ২০১১ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে তিনি অবসর নেন। তবে ফুটবলের দুনিয়ার সাথেই যুক্ত ছিলেন।
ব্রাজিলিয়ান লিজেন্ড বলেছেন, ‘আপনি যখন খেলা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন মনে হয় যেন আপনার খুব কাছের কেউ মারা গেছে। আমি তীব্র বিষণ্ণতায় ভুগেছিলাম। আমার ওজন অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ফুটবল ছেড়ে দেওয়াটা ভীষণ কঠিন ছিল। আর কখনো মাঠে নামতে পারব না—এই ভাবনাটা একটা সময় ধরে আমাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছিল।’
রোনালদো ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পও শোনালেন, ‘তারপর আপনার একটা সময় মনে হবে, জীবনে আরও কিছু করার আছে। তখন আপনার প্রাণসঞ্চার হবে। কিন্তু আর খেলতে পারব না, এই ব্যাপারটি আমাকে তাড়িয়ে বেড়াত।’
রোনালদো তার ক্যারিয়ারে এমন কিছু করেছেন, যার ধারেকাছে আর কেউ নেই। তিনি চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন, যার মধ্যে ব্রাজিলের হয়ে দুটি জিতেছেন। ক্লাব ফুটবলে তিনি রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, ইন্টার মিলান এবং এসি মিলানের মতো বড় বড় ক্লাবে খেলেছেন। অবসর নেওয়ার পর, তিনি তিন বছর ক্রুজেইরোর এসএএফ (সোসিদাদ অ্যানোনিমা দেস্পোর্তিভা)-এর দায়িত্বে ছিলেন এবং ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে রিয়াল ভায়াদোলিদের শেয়ারহোল্ডার ছিলেন।