শনিবার বিকেলে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লাহাটে প্রস্তাবিত হযরত খানজাহান আলী (রহ.) বিমানবন্দর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় চীনের একটি বিনিয়োগকারী প্রতিনিধি দলও প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ করা, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পর্যটন খাতের উন্নয়নে বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ। চীনা বিনিয়োগকারীরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে এটিকে উপযুক্ত বলে মনে করছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অবহেলিত অঞ্চলের উন্নয়ন হচ্ছে। বিমানবন্দরটি চালু হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে।
ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘদিন প্রকল্পটি অবহেলিত ছিল। চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং তারা অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় আগ্রহ দেখিয়েছেন। আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। এরপর একনেকের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনার উদ্যোগে চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠান সিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. পিটারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে।
পরিদর্শন শেষে কেডিএ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা বলেন, মোংলা বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, ইপিজেডের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর এখন সময়ের দাবি। তাঁর মতে, এটি শুধু একটি অবকাঠামো প্রকল্প নয়, দক্ষিণ এশিয়ার একটি কৌশলগত সংযোগকেন্দ্র গড়ে তোলার সুযোগ।
পরিদর্শনকালে বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, কেডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাবিরুল আলম, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মান্নান হাওলাদারসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।