সংসদে উত্থাপিত এক প্রশ্নে তিনি জানতে চান, জনগণের ভোগান্তি লাঘবে জমি রেজিস্ট্রির সঙ্গে সঙ্গে ই-নামজারি চালু করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে কি না।
জবাবে ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু জানান, জমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়, অন্যদিকে ই-নামজারি কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায় সম্পন্ন হয়ে থাকে। ফলে দুটি কার্যক্রম একসঙ্গে বাস্তবায়নে প্রশাসনিক জটিলতা বিদ্যমান।
তিনি আরও বলেন, “Allocation of Business” সংশোধনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন অফিস ও ভূমি অফিসকে একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার জন্য অতীতে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতিমালা ২০০১ অনুযায়ী জমির মালিকানার সনদ (Certificate of Land Ownership - CLO) চালুর পরিকল্পনা থাকলেও একই ধরনের জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে রেজিস্ট্রেশন ও ভূমি অফিসকে একই মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনা সম্ভব হলে জমি রেজিস্ট্রির সময়ই ই-নামজারি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা যাবে। এতে সাধারণ মানুষের হয়রানি ও ভোগান্তি কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।