বিল পাসের সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বিলে আপত্তি জানান। তবে তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) লিখিতভাবে বিলের সমর্থন জানায়।
জামায়াতের এমপিরা বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে নোট অব ডিসেন্ট জানিয়ে বলেন, বর্তমান জামুকা অধ্যাদেশের সংশোধন ছাড়া বিল পাস করলে মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামসহ কিছু দল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত থাকবে, যা যুক্তিযুক্ত নয়। তারা দাবি করেন, ২০০২ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের আইন অনুযায়ী এই দলের বিরুদ্ধে এমন কোনো উল্লেখ ছিল না।
এছাড়া জামায়াতের পক্ষ থেকে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ ও মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞায় পরিবর্তনের দাবি তোলা হয়েছে, কারণ কোনো রাজনৈতিক দলকে সশস্ত্র বাহিনী হিসেবে চিহ্নিত করা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির প্রতি সমর্থন প্রকাশের সমতুল্য।