আইনমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, বিলের প্রথম লাইনেই বলা আছে, ২০২৫ সালের মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আরও পরামর্শ ও যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। তাই ২০০৯ সালের আইন সাময়িকভাবে পুনঃপ্রচলন করা হয়েছে যাতে মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম স্থবির না হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের ১৬ নম্বর ধারা ভিকটিমদের জন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমান, যেখানে জরিমানা বা ক্ষতিপূরণের কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। বর্তমান সরকার ৪২ দিনের মধ্যে কোনো ক্রসফায়ার বা গুমের ঘটনা ঘটতে দেয়নি এবং দেশের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সংস্কৃতি বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলন একটি পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ, যা অতীতে বিরোধী দল ও ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ বাতিল করলে গুম ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার প্রক্রিয়া দুর্বল হবে।
আইনমন্ত্রী জবাবে বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইতিহাসে জিয়া পরিবার ও বিএনপিই সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন। তাই বর্তমান সরকার মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচারে সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।