পিএনএটির মতে, নির্যাতন ও গুমের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত পরিচালনা করা হবে। ১১ মে প্যারিসের আপিল আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ট্রায়াল ইন্টারন্যাশনাল এবং রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স–এর দায়ের করা অভিযোগ আমলে নিয়েই আদালত তদন্তের নির্দেশ দেয়।
তবে খাসোগির কর্মস্থল ‘ডন’-এর পৃথক একটি অভিযোগ আদালত খারিজ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয় এবং পরে তার মরদেহ টুকরো করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা, এই হত্যাকাণ্ড সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান–এর নির্দেশে ঘটতে পারে।
যুবরাজ অবশ্য এই হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন বলে স্বীকার করেছেন।
ফরাসি আইন অনুযায়ী, বিদেশে সংঘটিত গুরুতর অপরাধের বিষয়ে বিচারিক তদন্ত শুরু করা সম্ভব হলেও অভিযুক্তকে বিচার মুখোমুখি করতে সাধারণত তাকে ফরাসি ভূখণ্ডে উপস্থিত থাকতে হয়।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই তদন্তকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে এবং দ্রুত বিচারিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।