বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সেন্ট্রাল শরীয়াহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজনের কনভেনর ও স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম ইকবাল আজিম।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর স্বভাব, চরিত্র, পোশাক ও ব্যবহারিক জীবন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা অর্জন করতে হবে। তাঁর জীবনের লক্ষ্য ও মহান দায়িত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করে তা মানবজীবনে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বক্তারা বলেন, মহানবী (সা.) আইয়ামে জাহেলিয়ার অন্ধকার ও বিশৃঙ্খল সমাজকে মাত্র ২৩ বছরের মধ্যে শান্তি ও আদর্শ সমাজে রূপান্তর করেছিলেন, যা বিশ্ব ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর জীবন ও আদর্শ শুধু ধর্মীয় পরিমণ্ডলেই সীমাবদ্ধ নয়; মানবজাতির কল্যাণ, শান্তি ও ন্যায়ের পথনির্দেশও এতে রয়েছে।
দুদিনব্যাপী ‘সিরাহ্ ফেস্ট ২০২৬’-এ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ও সেমিনার কক্ষের সামনে ইসলামিক বই প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড প্লেসমেন্ট অফিসের উপপরিচালক কে. এম. মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন বিভাগের প্রভাষক ওমর ফারুক তামিম ও মোনায়েম খান।
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খানের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।