বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Channel18

শিক্ষা-ক্যাম্পাস

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনে সময় বাড়ল

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনে সময় বাড়ল

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য ফের আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে ব্যর্থ শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের পর ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি ও বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন গত ২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। অনলাইন আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়ন ও পরবর্তী কার্যক্রম শেষে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।

নীতিমালা অনুযায়ী, যেকোনো শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের বছর এবং তার আগের দুই বছরের শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিদেশি বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদনের সুযোগ পাবেন।

এবার একাদশে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগও রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—যেকোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগ ছাড়াও পরস্পরের বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিটি কলেজের ৯৩ শতাংশ আসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ—মোট ২ শতাংশ আসন মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত থাকবে। কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে মেধা তালিকা থেকেই ওই আসন পূরণ করা হবে। এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।

সমান জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট নম্বরও সমান হলে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানে পাওয়া নম্বর দেখা হবে। এরপরও সমতা থাকলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর বিবেচনা করা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে সমান নম্বর হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করা হবে।

স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।

ভর্তির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য ঢাকা মহানগরে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মহানগরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার, জেলা সদরে ২ হাজার এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।

নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মহানগরে বাংলা মাধ্যমে ৫ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা, জেলা সদরে যথাক্রমে ৩ হাজার ও ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।

শিক্ষার্থীর প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় বোর্ডকে মোট ৩৪০ টাকা ফি দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা, রোভার/রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র (টিসি) ইস্যু বা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিল করা হতে পারে।

আরও

মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ গড়তে বই পড়ার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা-ক্যাম্পাস

মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ গড়তে বই পড়ার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী

তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়তে বই পড়ার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন...

২০২৬-০৯-০৪ ২৩:১৭

ভাষানটেক পুনর্বাসন প্রকল্পের ভাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি

শিক্ষা-ক্যাম্পাস

ভাষানটেক পুনর্বাসন প্রকল্পের ভাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি

দেশের সব শিশুর নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের অধিকার রয়েছে। এটি সাংবিধানিক নাগরিক অধিকার। সংবিধানে বলা হয়েছে, এ...

২০২৬-০৯-০৩ ২৩:২৪

ডাকসুর রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেলেন পাঁচ শিক্ষার্থী

শিক্ষা-ক্যাম্পাস

ডাকসুর রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেলেন পাঁচ শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আয়োজিত ‘সবার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়: অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাম্পাস গঠ...

২০২৬-০৯-০২ ০৪:২০

সুফিয়া কামাল হলের ভিপির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি

শিক্ষা-ক্যাম্পাস

সুফিয়া কামাল হলের ভিপির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সানজানা চৌধুরী রাত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদা দাবির...

২০২৬-০৯-০২ ০৩:৫৪

একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু বুধবার, ফি ২২০ টাকা

শিক্ষা-ক্যাম্পাস

একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু বুধবার, ফি ২২০ টাকা

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হচ্ছে আগামীকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর)। এ আবেদনপ্রক্রিয়া...

২০২৬-০৯-০১ ২৩:১৮