প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান প্রথম বার্তায় লিখেছেন, আমরা কোনো শক্তির সামনে মাথা নত করব না। তবে ইরানের জনগণ এবং তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি নিজেদের দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক মনে করি। অবশ্য জনগণ বলতে আমরা সমগ্র ইরানের জনগণকে বুঝি, কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক ধারাকে নয়।’
প্রেসিডেন্ট দ্বিতীয় বার্তায় বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তার জন্য যারা মাঠে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের সমর্থন করা সরকার নিজের কর্তব্য বলে মনে করে। যারা মাতৃভূমির রক্ষায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত, তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অবস্থান আশা করা যায় না যদি তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা, সুযোগ-সুবিধা ও চাহিদাগুলো উপেক্ষা করা হয়।
তৃতীয় বার্তায় তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে, যারা সরকারি দায়িত্বের আওতায় এবং দেশের জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষার লক্ষ্যে কাজ করছেন, তাদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বা ‘দেশবিক্রেতা’ ইত্যাদি তকমার মুখোমুখি হতে হয়। সমালোচনা সমাজের স্বাভাবিক ও ন্যায্য অধিকার; কিন্তু আইনসম্মত দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের ধ্বংসাত্মকভাবে আক্রমণ করা ন্যায়বিচার ও মানবিকতার পরিপন্থী।’