আইআরজিসির বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনীর আইন কার্যকর থাকবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, অন্তত তিনটি বিদেশি তেলবাহী ট্যাঙ্কার অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে আইআরজিসির হুঁশিয়ারি পাওয়ার পর তারা ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
এদিকে গতকাল সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি জাহাজে অজ্ঞাত উৎস থেকে ক্ষেপণাস্ত্রসদৃশ হামলা হয়েছে। এ ঘটনার পর প্রণালিতে আটকে পড়া ১১ হাজারের বেশি নাবিককে উদ্ধারের মিশন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে জাতিসংঘ।
তেহরান এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে ইরান তাদের অনুমতি ছাড়া এ নৌপথ ব্যবহার করে চলাচল না করার জন্য বারবার সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য একটি অস্থায়ী সামুদ্রিক করিডোর চালুর ঘোষণা দিয়েছে ওমান। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথ নিরাপদ রাখতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি।
ওমান নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে এবং নৌ-চলাচল ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির প্রতি ওমান সালতানাতের দায়িত্ব এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব বিবেচনায় কোনো ধরনের ফি ছাড়াই নৌ-চলাচল অব্যাহত রাখতে আইএমওর সঙ্গে সমন্বয় করে অস্থায়ী করিডোর চালু করা হয়েছে। করিডোরটি আইএমও এবং সংশ্লিষ্ট ওমানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। এ রুটে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
সূত্র: আল জাজিরা