মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী আমাকে এইমাত্র জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমার ভেতর থেকে সব মাইন সরানো হয়েছে এবং/অথবা ধ্বংস করা হয়েছে।
ট্রাম্পের পোস্টে বিষয়টিকে নতুন কোনো ঘটনা হিসেবে তুলে ধরা হলেও, গত ১৮ আগস্টও প্রায় একই দাবি করেছিলেন তিনি।
সেসময় ট্রাম্প লিখেছিলেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত এবং কার্যকর রয়েছে। সব জলমাইন সরানো হয়েছে অথবা ধ্বংস করা হয়েছে।
বিশ্বের তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে আদৌ মাইন পাতা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।
সর্বশেষ পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেন, কোনো জাহাজ বা নৌযান নতুন করে মাইন পেতে গেলে সেটিকে তাৎক্ষণিকভাবে এবং ধারাবাহিকভাবে ধ্বংস করা হবে।
তিনি বলেন, ইরানকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো জাহাজ বা নৌযান নতুন করে মাইন পেতে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে এবং পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হবে।
হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারির কথাও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, স্পেস ফোর্সের মাধ্যমে প্রণালির প্রতিটি বর্গইঞ্চির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন এবং ইতোমধ্যে ধ্বংস করা আরও তিনটি পারমাণবিক স্থাপনাও যুক্তরাষ্ট্র নজরদারির আওতায় রেখেছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে মাইন পেতে দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের জিরো টলারেন্স নীতি পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে।
সূত্র : দ্য টাইমস অব ইসরায়েল