বক্তৃতায় তিনি ঘোষণা দেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখা হবে। শত্রুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এই পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান নতুন এই ইরানি নেতা।
মোজতবা খামেনি বলেন, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরাও তাদের দায়িত্ব পালন করবে এবং ইরাকের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীও ইরানকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী।
সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, হামলার মুখেও সেনাবাহিনী ইরানকে পরাধীন বা বিভক্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেছে। দেশ যখন কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন সাহসী যোদ্ধারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। খামেনি বলেন, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করে। ওই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। পরে ৮ মার্চ তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।