যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্থিতিশীল হয়নি। ইরান এবং হোয়াইট হাউসের সাময়িক সমঝোতা থাকা সত্ত্বেও, প্রণালীতে জাহাজ চলাচল এখনও সীমিত। নিরাপত্তার কারণে ইরান শুধুমাত্র “শত্রু নয়” এমন জাহাজগুলোকে পার হতে দিচ্ছে এবং মালিকানা, পণ্য ও যাত্রার বিস্তারিত তথ্য যাচাই করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বড় কোনো আন্তর্জাতিক কোম্পানির জাহাজ নিরাপদে পার হলেই আস্থা বাড়বে। তবে খালি বা নতুন জাহাজের চলাচল শুরু হওয়া অনিশ্চিত। বর্তমানে জ্বালানি বাজারে স্বস্তি আসলেও পুরোপুরি সংকটের অবসান হয়নি। তেল, গ্যাস ও জেট জ্বালানির দাম এখনও সংকট-পূর্ব সময়ের তুলনায় বেশি।
উৎপাদন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত থাকায়, কাতারসহ অন্যান্য দেশগুলোর এলএনজি উৎপাদন পূর্ণ ক্ষমতায় ফিরে আসতে মাস বা বছরও লাগতে পারে। এছাড়া ইউরোপের রিফাইনারি ও বিমান জ্বালানি সরবরাহের সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লাগবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে দেশগুলো জ্বালানি উৎস বৈচিত্র্যময় করতে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসের ওপর গুরুত্ব দিতে পারে। ফলে হরমুজ প্রণালী খোলা থাকলেও ঝুঁকির কারণে সরবরাহ ব্যয় বাড়বে এবং তেলের বাজারে পূর্ণ স্বাভাবিকতা ফিরে আসতে সময় লাগবে।