মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে শুরু হওয়া এই অভিযানে অভিবাসন বিভাগের পাশাপাশি জনশক্তি বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের সদস্যরা অংশ নেন।
পেরাক অভিবাসন বিভাগের পরিচালক জেমস লি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রথম কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দ্বিতীয় কারখানায় শিফট পরিবর্তনের সময় আরও ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক।
অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ভিজিট পাসের অপব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সময় (ওভারস্টে) মালয়েশিয়ায় অবস্থান করার অভিযোগ রয়েছে।
জেমস লি বলেন, একই মূল কোম্পানির অধীনে পরিচালিত এই দুটি কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অন্য কোম্পানি বা সেক্টরের নামে নিবন্ধিত বিদেশি কর্মীদের কাজে লাগিয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি।
তিনি আরও জানান, আটককৃতদের পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গত বছরও একই কোম্পানিতে এ ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল। এটি ওই কোম্পানির ওপর দ্বিতীয় দফার অভিযান।
সূত্র : বারনামা।