শুক্রবার দেওয়া ওই মন্তব্যে তিনি বলেন, যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস বিরাজ করছে।
সংঘাতের প্রায় দুই মাস পরও গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ কার্যত অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। ইরানের অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কার্যক্রমের কারণে ইরানি তেল রপ্তানিও ব্যাহত হচ্ছে। এতে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে, যার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও নতুন করে মার্কিন সামরিক হামলার আশঙ্কা বাজারে প্রভাব ফেলেছে। এ নিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার এক পর্যায়ে তেলের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে পৌঁছে যায়।
রয়টার্সকে দেওয়া তথ্যে দুই ইরানি কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্বল্পমেয়াদি কিন্তু তীব্র হামলার আশঙ্কায় ইরান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে এবং পাল্টা জবাবের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ স্পষ্ট করেনি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবে তিনি সন্তুষ্ট নন। অন্যদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানও নতুন আলোচনার কোনো তারিখ ঘোষণা করেনি।
এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ইরান ও লেবাননের নাগরিক।
উপসাগরীয় অঞ্চলের উদ্বেগ তুলে ধরে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ বলেন, প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতার প্রধান নিশ্চয়তা হলো আন্তর্জাতিক আইন ও সম্মিলিত বৈশ্বিক অবস্থান।
তিনি আরও বলেন, “ইরানের একতরফা কোনো ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা যায় না, বিশেষ করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পর।”
সূত্র: রয়টার্স