অপরদিকে ,এ ঘটনা সত্যতা পাওয়ায় টাকা ফেরতের অঙ্গীকার নামা দিয়েছেন অভিযুক্ত ক্যাশিয়ার ও পিয়ন।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকালের দিকে ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে ওই শাখার অন্যান্য গ্রহকরা তাদের আমানত অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় ভিড় করছেন । গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকার হদিস না মেলায় চাপা ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলের দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলার ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট আউটলেট শাখায় এ দুর্নীতির ঘটনা ঘটে । বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর ধামাচাপার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেকে গ্রাহক টাকা জমার রশিদ দেখতে পারলেও বিবরণীতে সেই অর্থের কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছেনা। এতে অর্ধশত গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা আমানত অনিশ্চয়তের মধ্যে পড়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত হিসাব যাচাই শেষে প্রয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে এই ঘটনার পর থেকে গ্রাহকদের মাঝে বিরাজ করছে উৎকণ্ঠা। অনেক গ্রাহক তাদের জমানো টাকার নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটনসহ ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট আউটলেট ঝাপের হাট শাখার ব্যবস্থাপক অলিউর রহমান বলেন, এই শাখার ক্যাশিয়ার ও পিয়ন পরিকল্পিতভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে। গ্রাহকের আত্মসাৎ হওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য তারা স্ট্যাম্পে অঙ্গীকার নামা দিয়েছেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সমুদয় টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য অঙ্গিকার নামায স্বাক্ষর করেছেন অভিযুক্তরা ।