বুধবার ( ২৪ জুন) সকালের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব হোসেন ।
এর আগে সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে সাঘাটা থানায় এজাহারে ছয়জনার নাম উল্লেখ করে এবং ১৪-১৫ জন অজ্ঞাত নামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত সাইফুল্লাহ বারীব বাবা হাবিবুর রহমান মাওলানা। যাহার মামলা নম্বর ২৩/২০২৬ । এ পর্যন্ত ওই মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হচ্ছেন, বোনারপাড়া ইউনিয়নের পূর্ববাটি গ্রামের আকবর খন্দকারের ছেলে আশরাফ খন্দকার (৩৫), পূর্ব শিমুলতাইড় গ্রামের শাহ আলমের ছেলে রবিউল ইসলাম ( ৪২), মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে শাহ আলম ও চকদাঁতেয়া গ্রামের শওকত আলীর ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৫৫) ।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব হোসেন বলেন, মামলায় এ পর্যন্ত নামীয় তিনজন ও তদন্তে পাওয়া একজনসহ চারজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে ।
উল্লেখ্য, গত রোববার ২১ জুন বিকেলের সাড়ে তিনটার দিকে বোনারপাড়া বাজারে চারমাথা চত্বরে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হয়। এ সময় বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মুকুল মিয়া ও তার ভাই পলাশ মিয়া ছাত্রশিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী ওপর হামলা চালায়। এরপর মুকুল মিয়ার ছোট ভাই পলাশ মিয়া সাইফুল্লাহ বারীর গলায় লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করলে গুরুতার রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় তার সাথে থাকা বন্ধু সালাউদ্দিনকে (২৮) ছুরিকাঘাত করেন তারা। পরে স্বজনরা সাইফুল্লাহ বারীকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্য রাত চিকিৎসা তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন । গুরুতর আহত সালাউদ্দিনকে প্রথম স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি কর হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার ২২ জুন রাতেই তাকে ঢাকায় নেয়া হয়েছে।