এর আগে রোববার (১০ মে) সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রাম-বাংলা টাওয়ারের সামনের একটি বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে সবজি বিক্রেতা মো. মীর কালাম (৩৫) ছাড়াও তার স্ত্রী সায়মা (৩২), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে কথা (৪) ও মুন্নি (৭) দগ্ধ হয়েছিলেন।
দুর্ঘটনার পর দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী হাসান জানান, ঘটনার দিন সকালে গ্রাম-বাংলা টাওয়ারের সামনের ওই বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। পরে শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে দেখেন ঘরের ভেতর আগুন জ্বলছে। ওই সময় ভেতর থেকে সবজি বিক্রেতা কালামসহ অন্যদের দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়।
তিনি জানান, সবজি বিক্রেতা কালামদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল থানার বালুকদিয়ে এলাকায়। ধারণা করা হচ্ছে, বাসার গ্যাস লিকেজ থেকে ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান সবজি বিক্রেতা কালামের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিস্ফোরণের ঘটনায় কালামের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে তার স্ত্রী সায়মা ৬০ শতাংশ, মুন্না ৩০ শতাংশ, কথা ৫২ শতাংশ ও মুন্নি ৩৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছে। তাদের সবার অবস্থাও খুবই আশঙ্কাজনক।