চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে ও চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মিঠু চন্দ্র অধিকারী, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায়, চুয়াডাঙ্গা জেলা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মহলদারসহ আম ব্যবসায়ীরা, জেলা কৃষি বিপণনের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মামুনুল হাসান এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান প্রমুখ।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে চুয়াডাঙ্গা জেলার ২ হাজার ২০৩ হেক্টর জমিতে আম উৎপাদন হয়েছে। জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩০ হাজার ৮৪২ টন। ১৩ মে ৩০ বৈশাখ থেকে আঁটি, গুটি, বোম্বাই, খিরসাপাত ও গোপালভোগ জাতের, ২০ মে ৬ জ্যৈষ্ঠ থেকে হিমসাগর, ২৫ মে ১১ জ্যৈষ্ঠ থেকে ল্যাংড়া, ৫ জুন ২২ জ্যৈষ্ঠ আম্রপালি (বারি আম-৩), ১৫ জুন ১ আষাঢ় থেকে ফজলী জাতের, ২০ জুন হাঁড়িভাঙ্গা, ব্যানানা, ২২ জুন ৬ আষাঢ় আশ্বিনা (বারি আম-৪), ৩০ জুন ১৬ আষাঢ় কার্টিমন, ৫ জুলাই ২১ আষাঢ় ও গৌড়মতি (বারি আম-১২) জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার ও চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার যৌথভাবে জানান, কোনো অবস্থাতেই বাণিজ্যিক উদ্দেশে অপরিপক্ব আম পাড়া যাবে না। এছাড়া আম পাকানো ও সংরক্ষণের জন্য কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা যাবে না। অবৈধ প্রক্রিয়ায় আম পাকানো হলে বা পাকানোর উদ্দেশ্যে মজুদ করা হলে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’ এবং ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩’ অনুয়ায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, জেলাব্যাপী আম সংগ্রহের যে সূচিটি দেওয়া হয়েছে তার বাইরে কেউ অপরিপক্ষ আম পাড়তে পারবে না। কেউ যদি এর ব্যত্যয় ঘটান তবে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।