বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে লাল কার্ড দেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান। ফলে পরের ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তিনি নিষিদ্ধ হওয়ার কথা। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে সেই নিষেধাজ্ঞা ১২ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। যা নিয়ে তখন ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ফিফা সভাপতি।
ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ফিফার নীতি লঙ্ঘনকে কেন্দ্র করেই মানবাধিকারভিত্তিক প্রচারণা সংস্থা ফেয়ারস্কয়ার আইওসির কাছে অভিযোগ করেছিল। সংস্থাটির দাবি, ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে ইনফান্তিনো অলিম্পিক সনদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন করেছেন। ইনফান্তিনো ২০২০ সাল থেকে আইওসির সদস্য। অলিম্পিক সনদের দ্বিতীয় ধারায় বলা হয়েছে, আইওসি সদস্যরা কোনো সরকার, সংস্থা বা অন্য কোনো পক্ষের এমন নির্দেশনা গ্রহণ করতে পারবেন না, যা তাদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা ভোটদানে প্রভাব ফেলতে পারে।
ফেয়ারস্কয়ারের সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে আইওসি এক বিবৃতিতে জানায়, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি মূলত ফিফার শাসনব্যবস্থা, সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ফুটবলের নিয়ম বাস্তবায়নসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব বিষয় আইওসির নৈতিকতা বিধির আওতাভুক্ত নয়। অর্থাৎ, স্বতন্ত্র সংস্থা ফিফা বা তাদের কোনো কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড তদন্তের এখতিয়ার নেই অলিম্পিক কমিটির।