পিঠের চোটের কারণে তাকে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে, এমনকি অস্ত্রোপচারের টেবিলেও যেতে হতে পারে তাকে। এতে নতুন মৌসুমের শুরুতেই তাকে ছাড়াই ছক কষতে হচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটিকে।
গত দুই বছর ধরেই চোটের সঙ্গে এক রকম যুদ্ধ করতে হচ্ছে রদ্রিকে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচে এসিএল নজুরিতে পড়ার পর থেকেই তার ক্যারিয়ারে ছন্দপতন ঘটে। এরপর গত বছরের ক্লাব বিশ্বকাপ এবং গত মৌসুমেও হ্যামস্ট্রিং ও কুঁচকির চোটে ভুগে প্রিমিয়ার লিগের মাত্র ১৭ ম্যাচে মূল একাদশে নেমেছিলেন তিনি।
বিশ্বকাপ ফাইনাল জেতার পর নিজের সেই কঠিন দিনগুলোর কথা স্মরণ করে রদ্রি বলেছিলেন, ‘আমার জন্য সময়টা অত্যন্ত কঠিন ছিল। আমি চাই নতুন প্রজন্ম আমার উদাহরণ থেকে শিক্ষা নিক। আপনি যখন নিচে পড়ে যান, সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোই আসল কথা।’
এদিকে ইনজুরির এই নতুন আশঙ্কার পাশাপাশি সিটির সঙ্গে তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে আগামী জুনেই। স্পেনে ফেরার ইচ্ছা এবং রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি আগ্রহ নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও, সিটির নতুন কোচ এনজো মারেস্কা তাকে দলে ধরে রাখতে মরিয়া। তবে মাঠের খেলায় ফেরার আগেই এই ব্যাকপেইন ও অস্ত্রোপচারের শঙ্কা রদ্রির ক্লাব ক্যারিয়ারের সামনের দিনগুলোতে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।