সভায় অংশগ্রহণকারী একাধিক নেতাকর্মী জানায়, শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে কলেজ অধ্যক্ষের নির্ধারিত চেয়ারে বসা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহেদ হাসান রনি, উপাধ্যক্ষের চেয়ারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুল হাসান নোমান, পরিষদ সম্পাদকের চেয়ারে সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান আরাভী। সভা চলাকালে বিষয়টি নিয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী আলোচনা করলেও প্রকাশ্যে মুখ খুলেনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। ছাত্রশক্তির জেলা আহবায়ক সোহরাব হোসেন শাকিল ফেসবুকে লিখেছেন, "শিক্ষক পরিষদে ছাত্র সংগঠনের মিটিং এটাতো কখনো ছাত্রলীগও করছে কিনা সন্দেহ৷ ছাত্র রাজনীতির জন্য ছাত্র সংসদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৫ই আগষ্টের পর ২বছর ইন্টিয়ম সরকার এর মধ্যে আমরা বা অন্যান্য ছাত্র সংগঠন চাইলেও মিটিং করতে পারতো যেকোন জায়গায় । আমরা বা অন্য কোনো সংগঠনতো তা করে নাই। কিন্তু শিক্ষক পরিষদে ছাত্র সংগঠনের বর্ধিত সভা কোনো ভাবেই কাম্য নয়৷"
কলেজ ছাত্রসংসদের ভিপি তোফায়েল আহমেদ তপু ফেসবুকে লিখেছেন, "আওয়ামীলীগের তিন মেয়াদের শাসনামলে কোন ছাত্র প্রতিনিধি নয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরও এই স্পর্ধা দেখায়নি। শিক্ষক পরিষদের কক্ষে শিক্ষকদের চেয়ারে বসে দলীয় সভা ছাত্রলীগ কখনোই করেনি, ছাত্রসংসদও করেনি। তখন মনে হয় কলেজ অধ্যক্ষ, শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক সহ পরিষদের অন্য কর্মকর্তারা আত্মমর্যাদাহীন।"
ওই স্ট্যাটাসে আরো উল্লেখ করা হয়, "ছাত্র রাজনীতি মানে নেতৃত্বের শিক্ষা, ছাত্র নেতারাও শিক্ষকদের কাজ থেকে শিখবে। সেসব শিক্ষক যখন নৈতিকভাবে চরম অধ:পতনে দেউলিয়া হয় তখন ছাত্র-ছাত্রী ও ছাত্রনেতারা বেয়াদপ হতে বাধ্য।"
এসব প্রসঙ্গে কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহেদ হাসান রনি বলেন, আমরা শিক্ষকদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে প্রোগ্রামটা করেছি এবং শিক্ষকদের চেয়ারে নয় বরং সেখানে রাখা সাধারণ চেয়ারে বসে প্রোগ্রাম করেছি।