বিক্ষোভ মিছিলটি সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। এতে এনসিপি মহানগর ও জেলার নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি আমন্ত্রিত জোটের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান আফজাল, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন, বিডিপি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কবির আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সভাপতি এমরান আলম, এনসিপি মহানগরের সদস্য সচিব মো. কিবরিয়া সরোয়ার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বুস্তান চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নিজাম উদ্দিন, আব্দুল বাতেন চৌধুরী ও খায়রুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিয়া আক্তার লুবনা, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ এমদাদুল হক এবং রিপন মিয়া।
এছাড়াও কোতোয়ালী, বিমানবন্দর, মোগলাবাজার ও দক্ষিণ সুরমা থানা কমিটির আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জেলা এনসিপির আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ, সদস্য সচিব প্রকৌশলী কামরুল আরিফ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে অংশ নেন। ছাত্রশক্তির জেলা আহ্বায়ক তৌফিক আহমদ তানভীর, সদস্য সচিব জামিল আহমদ, তাকি হাসান, মহানগর সদস্য সচিব জোবায়ের আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লাহিন তালুকদার, জিয়াদুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ আশা করেছিল নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় আর কোনো সরকার ফ্যাসিবাদী পথে হাঁটবে না। কিন্তু বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা মুখে জুলাই সনদের কথা বললেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে তারা অভিযোগ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন, গণভোটের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং গুম, খুন, লুটপাটসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তারা বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে রাজপথের শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলনই হবে প্রধান মাধ্যম।