বিশেষ ট্রেনের সংখ্যা কম থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। ঈদের সময় ট্রেনে ভিড় খুব বেশি থাকে। শেষ মুহূর্তে যাত্রীরা প্রায়ই ছাদে উঠে ভ্রমণ করতে বাধ্য হন।
রেল কর্মকর্তা এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লোকোমোটিভ ও ইঞ্জিন সংকটের কারণে স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছে না। এছাড়া রেলে সময়মতো পরিকল্পনার অভাব এবং পর্যাপ্ত ট্রেন নেটওয়ার্ক না থাকায় চাহিদা ও সরবরাহের ফারাক আরও বাড়ছে।
২০২৬ সালের ঈদে যেসব রুটে বিশেষ ট্রেন চলবে:
চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ও ২
ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে তিস্তা স্পেশাল-৩ ও ৪
ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল-৫ ও ৬
ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল-৭ ও ৮
জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল-৯ ও ১০
বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম জানান, অতীত বছরগুলোর তুলনায় এবারও ট্রেনের সংখ্যা কম রাখা হয়েছে। কিছুটা যাত্রীর চাহিদা কমেছে, তবে লোকোমোটিভ ও কোচের ঘাটতি এখনও বিদ্যমান।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, রেলের অবকাঠামো সম্প্রসারণ হলেও যথাযথ পরিকল্পনার অভাবে সক্ষমতা বাড়ানো যায়নি। ঈদকেন্দ্রিক নিম্নআয়ের মানুষের প্রধান পরিবহন ট্রেন হলেও লোকোমোটিভ ও কোচের ঘাটতি থাকায় ভোগান্তি এড়ানো কঠিন।