রোববার (২২ মার্চ) সরেজমিনে দেখা গেছে, অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল নিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দীর্ঘ সারির কারণে অনেক এলাকায় যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে।
সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে গত ১৫ মার্চ থেকে সারাদেশে জ্বালানি তেল সরবরাহে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেয় সরকার। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এর সুফল এখনো পৌঁছায়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর গত তিন সপ্তাহ ধরে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে এক ধরণের অস্থিরতা বিরাজ করছে। অনেক পাম্পে এখনো রেশনিং পদ্ধতি অবলম্বন করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, দেশে ব্যবহৃত পেট্রোল ও অকটেনের সিংহভাগই বর্তমানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে, আর সামান্য অংশ আমদানি করা হয়। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও সরকার দেশে দাম না বাড়ানোয় গ্রাহকদের জন্য বিষয়টি স্বস্তিদায়ক ছিলো। কিন্তু ঈদের এই সময়ে পাম্পগুলোর বন্ধ থাকা এবং সরবরাহ সংকটে সেই স্বস্তি এখন ভোগান্তিতে রূপ নিয়েছে।
জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকলেও সিএনজি এবং এলপি গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে। গ্যাসচালিত যানবাহনের চালকদের তেলের পাম্পের মতো দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না।
খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঈদের ছুটি কাটিয়ে ডিপোগুলো পূর্ণোদ্যমে চালু না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট পুরোপুরি কাটবে না।