এতে বলা হয়েছে, সরকারি হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগ, প্রসূতি সেবা কক্ষ, জরুরি অস্ত্রোপচার কক্ষ, পরীক্ষাগার, ব্লাড ব্যাংক, সিটি স্ক্যান ও এমআরআইসহ সব গুরুত্বপূর্ণ সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনা অনুযায়ী, জরুরি বিভাগে সব সময় পর্যাপ্ত চিকিৎসক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ—যেমন লেবার রুম, জরুরি অপারেশন থিয়েটার, ল্যাব ও ব্লাড ব্যাংক—সবসময় চালু রাখতে বলা হয়েছে।
ঈদের আগে ও পরে সমন্বয়ের মাধ্যমে চিকিৎসক ও কর্মীদের ছুটি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সেবায় কোনো ঘাটতি না পড়ে। প্রয়োজনে সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় পরিচালকের সঙ্গে সমন্বয় করে জনবল বণ্টন করা যাবে।
হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ, স্যালাইন, রাসায়নিক উপকরণ ও সার্জিক্যাল সামগ্রী মজুত রাখার পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালের নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
ছুটিকালে হাসপাতালের কার্যক্রম তদারকিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান প্রধান অনুপস্থিত থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ও যোগাযোগ নম্বর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
এছাড়া বহির্বিভাগ একটানা ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতেও নিবন্ধিত চিকিৎসকের অধীনে জরুরি ও প্রসূতি সেবা চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোগী রেফার করার আগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে।
যেকোনো দুর্ঘটনা বা দুর্যোগের ঘটনা দ্রুত স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে জানাতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।