মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিএমপির পক্ষ থেকে একগুচ্ছ বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ঈদ উপলক্ষ্যে অনেকেই নিজ নিজ গন্তব্যে যাওয়ার সময় বাসা-বাড়ি ও বিপণিবিতান তালাবদ্ধ রেখে যাবেন। এই সুযোগে চুরি-ডাকাতিসহ অপরাধ সংঘটিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ কারণে নাগরিকদের ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সিএমপির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাসা বা প্রতিষ্ঠান ত্যাগের আগে দরজায় উন্নতমানের অতিরিক্ত তালা ব্যবহার করতে হবে। নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার ফাঁকা বাসায় না রেখে নিরাপদ স্থানে রাখা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ও অ্যালার্ম সিস্টেম সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ এবং তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাসা ত্যাগের আগে সংশ্লিষ্ট বিট অফিসার বা থানাকে অবহিত করতে হবে। এ ছাড়া ব্যাংক-বীমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিপণিবিতানে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একসঙ্গে ছুটি না দিয়ে একটি অংশকে দায়িত্ব পালন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় রাতে বাসা ও প্রতিষ্ঠানের চারপাশ আলোকিত রাখা, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে ব্যাংকের লকার ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। ভাড়াটেদের ক্ষেত্রে বাসায় অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি আগেই বাড়ির মালিককে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাসার আশপাশে থাকা গাছের শাখা-প্রশাখা ছেঁটে ফেলা, গ্যারেজ সুরক্ষিত রাখা এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যকলাপ দেখলে দ্রুত থানায় জানাতে বলা হয়েছে। ভ্রমণকালে অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা এবং অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সিএমপি।