এর আগে, ইরান যুদ্ধের সমালোচনা করে পোপ লিও মন্তব্য করেন, যারা যুদ্ধ শুরু করে তাদের হাত রক্তে রঞ্জিত থাকে এবং ঈশ্বর তাদের প্রার্থনা গ্রহণ করেন না। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপ।
ট্রাম্প তার পোস্টে পোপকে ‘অপরাধ দমনে দুর্বল’ এবং ‘বৈদেশিক নীতিতে ব্যর্থ’ বলে আখ্যা দেন। এমনকি দাবি করেন, তিনি হোয়াইট হাউসে না থাকলে পোপের পক্ষে ভ্যাটিকানে টিকে থাকা কঠিন হতো।
তবে, এই পোস্ট নিয়ে ট্রাম্পের সমর্থকদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এটিকে অযৌক্তিক ও বিতর্কিত বলে মন্তব্য করে ছবি সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর আগেও ট্রাম্প বিভিন্ন জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করে এআই ছবি প্রকাশ করেছিলেন।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প সরাসরি জানান, পোপ লিওর অবস্থান তার পছন্দ নয়। তার অভিযোগ, পোপ ইরানের পারমাণবিক ইস্যু ও যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অপরাধ বিষয়ে নরম অবস্থান নিয়েছেন। যদিও এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন পোপ।
অন্যদিকে পোপ লিও বলেন, ‘তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের মন্তব্যে ভীত নন এবং তার শান্তির বার্তা কেবল ধর্মগ্রন্থের শিক্ষার ভিত্তিতেই দেয়া।’ তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো রাজনৈতিক বিতর্কে জড়ানোর ইচ্ছা তার নেই এবং ধর্মীয় প্রতীকের অপব্যবহার গ্রহণযোগ্য নয়।