মঙ্গলবার ( ১৮ আগস্ট ) দুপুর দিকে গাইবান্ধা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে জেলার দলিল লেখকরা অংশ নেন।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তা মল্লিক। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর বরাবরে ৭ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, আব্দুল করিম, হামিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মিথেন, রিয়াজ আহমেদসহ বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
৭ দফা দাবিগুলো হচ্ছে- দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, দলিল প্রতি সম্মানি ভাতা ৫ হাজার টাকা বাস্তবায়ন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতিত অন্য কেউ দলিল মুসাবিদা করতে পারবে না ও দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য দাখিল দিতে পারবে না মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি, থানা, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ব্যতিত অনভিজ্ঞদের দলিল লেখার লাইসেন্স প্রদান করা যাবে না মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি, থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ, দলিল লেখা, মুসাবিদা কারক হিসেবে দলিল লেখকদের আসামি করা যাবে না এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ৭ দফা দাবি আদায়ের জন্য ২০২৫ সালের ৮ ফেব্রæয়ারি ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে দলিল লেখক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন এমপি ও বিশেষ অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপি (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী)। এরপর মহানগর, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ হয়। এসব সমাবেশ ও সম্মেলনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ৭ দফা দাবির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।