আসামিপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম সবুজ জানান, ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। দুই পক্ষের মধ্যে আপসের ভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়েতে সম্মতি হয়, পরে আদালতেই তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। আদালত আসামিকে তিন মাসের মধ্যে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী এম মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি আপসের মাধ্যমে সমাধান হয়েছে এবং দুই পক্ষ সংসার করতে সম্মত হওয়ায় জামিন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে সাইফুল ইসলাম ও ওই নারীর মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। পরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে গত ২৫ জানুয়ারি ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। এরপর ৩১ মার্চ বারিধারা এলাকা থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর কারাগারে থাকা অবস্থায় আদালতে উভয় পক্ষের আপসের ভিত্তিতে বিয়ের মাধ্যমে মামলার অগ্রগতি ঘটে এবং জামিন পান সাইফুল ইসলাম।